শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য: তারেক রহমান বাজেটের আকার বড় হলেও বাস্তবায়ন সম্ভব: এফবিসিসিআই বিরোধীদলের উদ্দেশ্যই মানুষকে বিভ্রান্ত করা: প্রধানমন্ত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় মে মাসে ৬২২ জন নিহত: যাত্রী কল্যাণ সমিতি বিনিয়োগে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম গন্তব্য হতে চায় ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরের অভিযোগে এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস করলেন জাইমা রহমান বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাতীয় তিন মাসের মধ্যে রায় কার্যকর করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী
logo

তিন মাসের মধ্যে রায় কার্যকর করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ছয় কার্যদিবসের মধ্যে রায় দেওয়া হয়েছে। সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে তিন মাসের মধ্যে রায় কার্যকর করা সম্ভব হবে।বলেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

রোববার (৭ জুন) বেলা ১২ দিকে রাজধানীর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনে কত দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে এর কোনো বিধান নেই।

মন্ত্রী বলেন, আইনি প্রতিটি ধাপ পার করেই রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষিত হয়েছে। আমরা সবাই এই রায়ে সন্তুষ্ট। আশা করি এই রায়ের বিষয়টি উচ্চ আদালতেও বহাল থাকবে।

রায় কার্যকর নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনের স্তরগুলো পার না করে রায় কার্যকর করা হলে প্রশ্ন উঠবে। তাই দোষী যদি উচ্চ আদালতে যেতে চায়, সেখানেও সরকার আইনি ধাপ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। তবে, সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে তিন মাসের মধ্যে রায় কার্যকর করা সম্ভব হবে। এতবড় অমানবিক ঘটনার এত দ্রুত রায় দেশে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

এর আগে রোববার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বপ্না খাতুনকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকা মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে নিয়ে আসে পুলিশ। এরপর তাদের দুজনকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য ৭ জুন দিন ধার্য করেন আদালত। মাত্র চার কার্যদিবসে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। রায়কে ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।

এর আগে ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার ঘর থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না আক্তার। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে সোহেলের বাসার সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

এ সময় সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির ভেতরে তার মাথা দেখতে পান তারা। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ২০ মে পল্লবী থানায় নিহত শিশুটির বাবা মামলা করেন।

খুঁজুন