জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাইম হাসানকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে বাসায় ফেরার পথে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগে এক উপপরিদর্শক (এসআই)সহ তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে খুলশী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ জুন) এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষে চট্টগ্রামে ফিরে বিমানবন্দর থেকে বাসায় যাওয়ার পথে হেনস্তার শিকার হন নাঈম।
জানা গেছে, রাতে বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাসায় ফেরার সময় ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তার গলা চেপে ধরা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া এবং লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন এই স্পিনার।
গণমাধ্যমকে নাঈম বলেন, ‘রাত ১০টা ২০ মিনিটে আমাদের ফ্লাইট চট্টগ্রামে পৌঁছায়। তখন কোনো গাড়ি না পেয়ে আমি সিএনজিতে করে বাসায় ফিরছিলাম। টোল প্লাজার কাছে একজন ট্রাফিক পুলিশ আমাদের থামান। তিনি লালখান বাজার পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে আসেন। এরপর একজন পুলিশ পোশাকে এবং আরেকজন সিভিল ড্রেসে এসে আমাদের গাড়ি তল্লাশি করতে চান। আমি ভেবেছিলাম তারা শুধু ব্যাগ চেক করবেন।
মারধরের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন,এসআই শফিক আমাকে ধাক্কা দিয়ে সিএনজির ভেতরে ঢুকিয়ে দরজা লক করে দেন। আমি জানতে চাইছিলাম কী হয়েছে। তখন ভয় পেয়ে যাই। তিনি আমাকে বলেন, ‘তুই আসামি, চুপ থাক, একটা কথাও বলবি না।’ এরপর তিনি আমার কলার চেপে ধরেন এবং লাঠি দিয়ে মারধর করেন। শারীরিকভাবেও নির্যাতন করা হয়েছে।
নাঈমের দাবি, উপস্থিত লোকজন তাকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে শনাক্ত করলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। তিনি বলেন, ‘আমার গলা চেপে ধরা হয়েছিল। তখন আমি চিৎকার করি এবং বাবাকে ফোন দিই। পরে আমার মোবাইলও নিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে থাকা অনেকেই আমার পরিচয় নিশ্চিত করেছিলেন, কিন্তু তারপরও তারা আমার গলা চেপে ধরে রাখেন।’
পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান নাঈম। তিনি বলেন, ‘সেখানে আমি ওসিকে নিজের পরিচয় দিই। ওসি আমাকে বলেন, ‘চোখ নিচু করে কথা বলো।’ পরে যখন আমাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোন আসতে শুরু করে, তখন তার আচরণ বদলে যায়।
এসআই শফিকের বিরুদ্ধে সরাসরি মারধরের অভিযোগ এনে নাঈম বলেন, ‘তিনি আমাকে লাঠি দিয়ে মেরেছেন। আমি বলেছি, আমার গায়ে হাত দেওয়ার অধিকার আপনার নেই। তারপরও তিনি মারধর করেছেন।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়। পাশাপাশি পরিবারের দায়ের করা মামলায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরের অভিযোগে এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরের অভিযোগে এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাইম হাসানকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে বাসায় ফেরার পথে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগে এক উপপরিদর্শক (এসআই)সহ তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে খুলশী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৩ জুন) এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষে চট্টগ্রামে ফিরে বিমানবন্দর থেকে বাসায় যাওয়ার পথে হেনস্তার শিকার হন নাঈম। জানা গেছে, রাতে বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাসায় ফেরার সময় ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তার গলা চেপে ধরা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া এবং লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন এই স্পিনার। গণমাধ্যমকে নাঈম বলেন, ‘রাত ১০টা ২০ মিনিটে আমাদের ফ্লাইট চট্টগ্রামে পৌঁছায়। তখন কোনো গাড়ি
না পেয়ে আমি সিএনজিতে করে বাসায় ফিরছিলাম। টোল প্লাজার কাছে একজন ট্রাফিক পুলিশ আমাদের থামান। তিনি লালখান বাজার পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে আসেন। এরপর একজন পুলিশ পোশাকে এবং আরেকজন সিভিল ড্রেসে এসে আমাদের গাড়ি তল্লাশি করতে চান। আমি ভেবেছিলাম তারা শুধু ব্যাগ চেক করবেন। মারধরের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন,এসআই শফিক আমাকে ধাক্কা দিয়ে সিএনজির ভেতরে ঢুকিয়ে দরজা লক করে দেন। আমি জানতে চাইছিলাম কী হয়েছে। তখন ভয় পেয়ে যাই। তিনি আমাকে বলেন, ‘তুই আসামি, চুপ থাক, একটা কথাও বলবি না।’ এরপর তিনি আমার কলার চেপে ধরেন এবং লাঠি দিয়ে মারধর করেন। শারীরিকভাবেও নির্যাতন করা হয়েছে। নাঈমের দাবি, উপস্থিত লোকজন তাকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে শনাক্ত করলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। তিনি বলেন, ‘আমার গলা চেপে ধরা হয়েছিল। তখন আমি চিৎকার করি এবং বাবাকে ফোন
দিই। পরে আমার মোবাইলও নিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে থাকা অনেকেই আমার পরিচয় নিশ্চিত করেছিলেন, কিন্তু তারপরও তারা আমার গলা চেপে ধরে রাখেন।’ পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান নাঈম। তিনি বলেন, ‘সেখানে আমি ওসিকে নিজের পরিচয় দিই। ওসি আমাকে বলেন, ‘চোখ নিচু করে কথা বলো।’ পরে যখন আমাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোন আসতে শুরু করে, তখন তার আচরণ বদলে যায়। এসআই শফিকের বিরুদ্ধে সরাসরি মারধরের অভিযোগ এনে নাঈম বলেন, ‘তিনি আমাকে লাঠি দিয়ে মেরেছেন। আমি বলেছি, আমার গায়ে হাত দেওয়ার অধিকার আপনার নেই। তারপরও তিনি মারধর করেছেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়। পাশাপাশি পরিবারের দায়ের করা মামলায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত