লোহিত সাগরে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ইসরায়েলি জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন হামলা চালানোর দাবি করেছে। এ ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে বৈশ্বিক নৌপরিবহন ও জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে হুতিরা জানায়, তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে এবং লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজ চলাচলের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হুতিদের সম্ভাব্য হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। কারণ লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের তেল পরিবহনের একটি বড় অংশ বিকল্প রুট হিসেবে লোহিত সাগর ব্যবহার করছে।
হুতিরা ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের দাবি করে লোহিত সাগরে বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালিয়েছিল। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে তারা এতদিন তুলনামূলকভাবে সরাসরি জড়ায়নি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে হুতিদের একটি সূত্র জানিয়েছে, লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজ চলাচল বন্ধ করা তাদের প্রথম পদক্ষেপ। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে ইসরায়েলগামী সব জাহাজের চলাচল বন্ধ করা এবং অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
তবে ব্রিটিশ সামুদ্রিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ভ্যানগার্ড এক বিশ্লেষণে জানিয়েছে, ঘোষণাটি সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা নয়। বরং হুতিদের মূল্যায়নে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পৃক্ত জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করে বলেছে, লোহিত সাগরে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্টতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আরও জোরদার করতে হবে।
তবে শিপিং খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হুতিরা অতীতেও এমন অনেক জাহাজে হামলা চালিয়েছে যেগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল না। ফলে নতুন ঘোষণার কারণে লোহিত সাগর ব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ মালিকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়বে।
একজন শিপিং কর্মকর্তা বলেন, ‘হুতিরা কোন জাহাজকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে বিবেচনা করবে, সে বিষয়ে তাদের অতীত রেকর্ড খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয়। তাই অনেক জাহাজ আফ্রিকা ঘুরে বিকল্প পথে চলাচলকে নিরাপদ মনে করতে পারে।’
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে লোহিত সাগরে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সংকট তৈরি হলে এর প্রভাব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বড় হতে পারে। বর্তমানে সৌদি আরবের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে ইয়ানবু রপ্তানি টার্মিনালে নিয়ে গিয়ে লোহিত সাগরপথে পাঠানো হচ্ছে।
লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজ চলাচল বন্ধের হুমকি হুতিদের
লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজ চলাচল বন্ধের হুমকি হুতিদের
লোহিত সাগরে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ইসরায়েলি জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন হামলা চালানোর দাবি করেছে। এ ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে বৈশ্বিক নৌপরিবহন ও জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে হুতিরা জানায়, তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে এবং লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজ চলাচলের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, হুতিদের সম্ভাব্য হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। কারণ লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের তেল পরিবহনের একটি বড় অংশ বিকল্প রুট হিসেবে লোহিত সাগর ব্যবহার করছে। হুতিরা ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের
মধ্যে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের দাবি করে লোহিত সাগরে বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালিয়েছিল। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে তারা এতদিন তুলনামূলকভাবে সরাসরি জড়ায়নি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে হুতিদের একটি সূত্র জানিয়েছে, লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজ চলাচল বন্ধ করা তাদের প্রথম পদক্ষেপ। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে ইসরায়েলগামী সব জাহাজের চলাচল বন্ধ করা এবং অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তবে ব্রিটিশ সামুদ্রিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ভ্যানগার্ড এক বিশ্লেষণে জানিয়েছে, ঘোষণাটি সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা নয়। বরং হুতিদের মূল্যায়নে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পৃক্ত জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করে বলেছে, লোহিত সাগরে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্টতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আরও জোরদার করতে হবে। তবে শিপিং
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হুতিরা অতীতেও এমন অনেক জাহাজে হামলা চালিয়েছে যেগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল না। ফলে নতুন ঘোষণার কারণে লোহিত সাগর ব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ মালিকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়বে। একজন শিপিং কর্মকর্তা বলেন, ‘হুতিরা কোন জাহাজকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে বিবেচনা করবে, সে বিষয়ে তাদের অতীত রেকর্ড খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয়। তাই অনেক জাহাজ আফ্রিকা ঘুরে বিকল্প পথে চলাচলকে নিরাপদ মনে করতে পারে।’ বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে লোহিত সাগরে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সংকট তৈরি হলে এর প্রভাব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বড় হতে পারে। বর্তমানে সৌদি আরবের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে ইয়ানবু রপ্তানি টার্মিনালে নিয়ে গিয়ে লোহিত সাগরপথে পাঠানো হচ্ছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত