শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
জাতীয় পরিকল্পনা থেকে স্থানীয় উন্নয়ন ধারনায় পাবনায় নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত বুটেক্সের ৪১ থেকে ৪৭তম ব্যাচ নিয়ে জিজি প্যানেলের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা যমুনার অবৈধ বালু মাফিয়া চক্র কি প্রচলিত আইনের ঊর্ধ্বে? প্রশ্ন আলোকদিয়াবাসীর বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য: তারেক রহমান বাজেটের আকার বড় হলেও বাস্তবায়ন সম্ভব: এফবিসিসিআই বিরোধীদলের উদ্দেশ্যই মানুষকে বিভ্রান্ত করা: প্রধানমন্ত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় মে মাসে ৬২২ জন নিহত: যাত্রী কল্যাণ সমিতি বিনিয়োগে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম গন্তব্য হতে চায় ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরের অভিযোগে এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস করলেন জাইমা রহমান
সারাবাংলা ববি প্রকৌশল দপ্তরের বিরুদ্ধে ঠিকাদারের বিল ১৩ মাস আটকে রাখার অভিযোগ
logo

ববি প্রকৌশল দপ্তরের বিরুদ্ধে ঠিকাদারের বিল ১৩ মাস আটকে রাখার অভিযোগ

আবদুল্লাহ আল শাহিদ খান ,ববি প্রতিনিধি: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) প্রকৌশল দপ্তরের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৩ মাস ধরে এক ঠিকাদারের বিল আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদের সঙ্গে 'সমঝোতা' না হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার।

ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান 'মুন্সি এন্টারপ্রাইজ'-এর স্বত্বাধিকারী সাইফুল মুন্সি অভিযোগ করে বলেন, "সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদ দীর্ঘদিন ধরে আমার কাছে ঘুষের দাবি করে আসছেন। যিনি তাকে টাকা দেন, তার বিল দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আমি তাকে চাঁদা   না  দেওয়ায় গত ১৩ মাস ধরে আমার পাওনা বিলটি আটকে রাখা হয়েছে।"

ঠিকাদার সাইফুল মুন্সি আরও অভিযোগ করেন, "সবাই বিল পেয়ে গেলেও শুধুমাত্র সমঝোতা না হওয়ার কারণে আমার বিলটি আটকে আছে। এ বিষয়ে কথা বলতে গতকাল (রবিবার) আমি তার কক্ষে গেলে তিনি আমার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং রুম থেকে বের করে দেন।"
 
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদ ঘুসের দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, "এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। মূলত ঠিকাদার সময়মতো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে না পারায় বিল তৈরিতে দেরি হয়েছে।"

বিল আটকে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, "তিনি (ঠিকাদার) যে কাজগুলো করেছেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সেগুলোর একটি কাজের প্রত্যয়নপত্র নিয়ে আসতে বলেছিলাম। এতে আমার কাজের সুবিধা হতো, কিন্তু তিনি তা সরবরাহ করতে পারেননি। আমি সরকারি চাকরি করি, বিল পাসের একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে।"
 
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মুরশিদ আবেদিন বলেন, "কোনো ঠিকাদারের বিল ১৩ মাস তো দূরের কথা, ১৩ দিনও আটকে রাখার কোনো সুযোগ নেই। কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তাও আমার জানা নেই।"

 তিনি বলেন, "আমাদের মামুন সাহেবের কিছুটা গাফিলতি আছে। নিয়মানুযায়ী আমরা যে কাজ করেছি, সেটার একটি প্রত্যয়নপত্র লাগবেই, তা না হলে বিল পাস করা সম্ভব নয়।" চাঁদা বা ঘুস দাবির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-প্রকৌশলী বলেন, "না, এমন কোনো ঘটনা আমার জানা নেই।"

খুঁজুন