কুষ্টিয়ার পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন থেকে জোরপূর্বক ভিক্ষাবৃত্তিতে খাটানোর উদ্দেশ্যে অপহৃত তিন শিশুকে ঢাকার কমলাপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশু পাচারের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাচারকারী চক্রের দুই নারী সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পোড়াদহ রেলওয়ে থানা পুলিশ।
উদ্ধার হওয়া শিশুরা হলো—কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার উত্তর কাটদহ গ্রামের সিফাত (১০), মোমিন (৯) ও রাজ (১০)।
যেভাবে চলতো পাচার চক্রের কার্যক্রম
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল সকালে পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন থেকে কৌশলে সিফাত ও মোমিনকে অপহরণ করে এই চক্রটি। অপহরণের প্রায় এক মাস পর, গত ৬ জুন সিফাতের মা শেফালী আক্তার পোড়াদহ রেলওয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। অভিযানে প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয় মিরপুরের গোপালপুর এলাকার ফতে আক্তার (২১) নামের এক তরুণীকে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের আরেক সদস্য শাহানাজ বেগমকে (৪০) আটক করা হয়।
মাত্র ২০ হাজার টাকায় বিক্রি!
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা শিশুদের অপহরণ করে প্রথমে 'মহানন্দা লোকাল' ট্রেনে করে যশোরে নিয়ে যায়। সেখানে মাত্র ২০ হাজার টাকায় শিশুদের বিক্রি করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অন্য একটি চক্র তাদের ঢাকায় নিয়ে এসে জোরপূর্বক ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত করে।
শেল্টার হোম থেকে উদ্ধার: ঢাকায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ভিক্ষারত অবস্থায় একটি সেবামূলক সংস্থা এই শিশুদের উদ্ধার করেছিল। শিশুরা নিজেদের ঠিকানা বলতে না পারায় সংস্থাটি তাদের একটি শেল্টার হোমে রেখে দেয়। পরে রেলওয়ে পুলিশ সেখানে যোগাযোগ করে শিশুদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
পরিবারের কাছে হস্তান্তর
পোড়াদহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির খান জানান, উদ্ধার হওয়া তিন শিশুকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইতিমধ্যেই তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান জোরালোভাবে অব্যাহত রয়েছে।
পোড়াদহ থেকে অপহৃত ৩ শিশু ঢাকায় উদ্ধার: দুই নারী পাচারকারী গ্রেপ্তার
পোড়াদহ থেকে অপহৃত ৩ শিশু ঢাকায় উদ্ধার: দুই নারী পাচারকারী গ্রেপ্তার
কুষ্টিয়ার পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন থেকে জোরপূর্বক ভিক্ষাবৃত্তিতে খাটানোর উদ্দেশ্যে অপহৃত তিন শিশুকে ঢাকার কমলাপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশু পাচারের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাচারকারী চক্রের দুই নারী সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পোড়াদহ রেলওয়ে থানা পুলিশ।উদ্ধার হওয়া শিশুরা হলো—কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার উত্তর কাটদহ গ্রামের সিফাত (১০), মোমিন (৯) ও রাজ (১০)। যেভাবে চলতো পাচার চক্রের কার্যক্রমপুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল সকালে পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন থেকে কৌশলে সিফাত ও মোমিনকে অপহরণ করে এই চক্রটি। অপহরণের প্রায় এক মাস পর, গত ৬ জুন সিফাতের মা শেফালী
আক্তার পোড়াদহ রেলওয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। অভিযানে প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয় মিরপুরের গোপালপুর এলাকার ফতে আক্তার (২১) নামের এক তরুণীকে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের আরেক সদস্য শাহানাজ বেগমকে (৪০) আটক করা হয়। মাত্র ২০ হাজার টাকায় বিক্রি!প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা শিশুদের অপহরণ করে প্রথমে 'মহানন্দা লোকাল' ট্রেনে করে যশোরে নিয়ে যায়। সেখানে মাত্র ২০ হাজার টাকায় শিশুদের বিক্রি করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অন্য একটি চক্র তাদের ঢাকায় নিয়ে এসে জোরপূর্বক ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত করে। শেল্টার
হোম থেকে উদ্ধার: ঢাকায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ভিক্ষারত অবস্থায় একটি সেবামূলক সংস্থা এই শিশুদের উদ্ধার করেছিল। শিশুরা নিজেদের ঠিকানা বলতে না পারায় সংস্থাটি তাদের একটি শেল্টার হোমে রেখে দেয়। পরে রেলওয়ে পুলিশ সেখানে যোগাযোগ করে শিশুদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পরিবারের কাছে হস্তান্তরপোড়াদহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির খান জানান, উদ্ধার হওয়া তিন শিশুকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইতিমধ্যেই তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান জোরালোভাবে অব্যাহত রয়েছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত