শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত নবীনগর শিবপুরে সুর সম্রাট আলাউদ্দিনখাঁ ডিগ্রী কলেজ শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ১ ঘণ্টা পর ফিরলো ফেসবুক-মেসেঞ্জার ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: গ্রুপপর্বে উত্তেজনা যে ১০ হাইভোল্টেজ ম্যাচ সাপাহারে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ঢাকায় যোগ দিয়েই দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারের বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই: নাহিদ ইসলাম খুলনায় যৌথ অভিযানের মাঝেই দিনে-দুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে বাজেটে: অর্থমন্ত্রী দুর্নীতি ও লুটপাটের বাজেট দিয়েছে সরকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার
সারাবাংলা খুলনায় যৌথ অভিযানের মাঝেই দিনে-দুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
logo

খুলনায় যৌথ অভিযানের মাঝেই দিনে-দুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

সন্ত্রাস দমনে যখন খুলনায় যৌথ অভিযান চলছে, ঠিক তখনই দিনে-দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহতের নাম রফিক গাজী। তিনি নগরীর লবণচরা থানাধীন মাথাভাঙ্গা কাজী পাড়া এলাকার রতন গাজীর ছেলে।

​শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাড়ির মাত্র এক কিলোমিটার দূরে একটি দোকানে বসে থাকার সময় এই হামলার শিকার হন তিনি। লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
​ঘটনার বিবরণ ও স্থানীয়দের ক্ষোভ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রফিক গাজী যখন দোকানে বসা ছিলেন, তখন হঠাৎ হেলমেট পরিহিত এক যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে সেখানে হাজির হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই রফিককে লক্ষ্য করে পর পর কয়েকটি গুলি ছোড়ে ওই যুবক। একটি গুলি তার পেটে বিদ্ধ হলে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে যৌথ অভিযানের মধ্যেও এমন প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ডে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে এলাকাবাসীর মধ্যে। স্থানীয়দের প্রশ্ন— একদিকে সন্ত্রাস দমনে অভিযান চলছে, অন্যদিকে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং দিনে-দুপুরে বাড়ির সামনে মানুষকে হত্যা করছে। এটা কেমন অভিযান?

​তদন্তে পুলিশ, মুখে কুলুপ স্থানীয়দের
​হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় লবণচরা থানা পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকেই ওই এলাকার সব দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। ওসির বক্তব্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি থমথমে হওয়ায় এবং আতঙ্কের কারণে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে স্থানীয় কেউ মুখ খুলতে বা তথ্য দিতে চাচ্ছেন না।

"আমরা খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে এসেছি। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।"
 সৈয়দ মোশারেফ হোসেন, অফিসার ইনচার্জ, লবণচরা থানা।

খুঁজুন