শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিলো যুক্তরাষ্ট্র বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত নবীনগর শিবপুরে সুর সম্রাট আলাউদ্দিনখাঁ ডিগ্রী কলেজ শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ১ ঘণ্টা পর ফিরলো ফেসবুক-মেসেঞ্জার ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: গ্রুপপর্বে উত্তেজনা যে ১০ হাইভোল্টেজ ম্যাচ সাপাহারে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ঢাকায় যোগ দিয়েই দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারের বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই: নাহিদ ইসলাম
সারাবাংলা ঢাকার কেরাণীগঞ্জ ও কদমতলী  এলাকায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ৩ জন’কে ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা
logo

ঢাকার কেরাণীগঞ্জ ও কদমতলী  এলাকায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ৩ জন’কে ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা

র‌্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক, জালিয়াতি, ভেজাল ও নকল পণ্য নির্মূল এসব ক্ষেত্রে র‌্যাবের সক্রিয় অভিযান সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০৯/০৬/২০২৬ তারিখে জনাব আবু হাসান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, র‌্যাব সদর দপ্তর এর নেতৃত্বে ও র‌্যাব-১০, কোম্পানির সহযোগিতায় ডিএমপি, ঢাকার কদমতলী থানাধীন সবুজবাগ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। 

অভিযানকালে বিএসটিআই অনুমোদনবিহীন এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে নকল ও ভেজাল খাদ্য পণ্য উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া যায়। উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মো: শাহিন রেজা (৪১), সাং- শাক্তা, থানা- দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা ও মো: ইদ্রিস আলী (৫৭), সাং- দক্ষিণপাড়া, থানা- কেরাণীগঞ্জ মডেল, ঢাকা’দ্বয়কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ মোতাবেক ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ টাকা) করে মোট ৪,০০,০০০/- (চার লক্ষ টাকা) জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে বিপুল পরিমাণ নকল খাদ্য পণ্য জব্দ ও ধ্বংস করা হয়।

অপর আরেকটি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে মো: তারেকুল ইসলাম (৪৬), সাং- পূর্ব জুরাইন, থানা- কদমতলী, ঢাকা’কে অবৈধ ভাবে তামার তার উৎপাদন করায় ২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ টাকা) জরিমানা করা হয় এবং প্রায় ১,৭৭৮ (এক হাজার সাতশত আটাত্তর) কেজি তামার তার জব্দ করা হয়।

এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে ভেজাল ও প্রতারণামূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে র‌্যাবের জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

খুঁজুন