শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিলো যুক্তরাষ্ট্র বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত নবীনগর শিবপুরে সুর সম্রাট আলাউদ্দিনখাঁ ডিগ্রী কলেজ শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ১ ঘণ্টা পর ফিরলো ফেসবুক-মেসেঞ্জার ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: গ্রুপপর্বে উত্তেজনা যে ১০ হাইভোল্টেজ ম্যাচ সাপাহারে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ঢাকায় যোগ দিয়েই দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারের বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই: নাহিদ ইসলাম
রাজনীতি হাবিবুর রশিদ হাবিব: ঢাকা-৯ থেকে বিএনপির প্রার্থী
logo

হাবিবুর রশিদ হাবিব: ঢাকা-৯ থেকে বিএনপির প্রার্থী

সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তার দ্বিতীয়  প্রার্থী তালিকায় ঢাকার ঢাকা-৯ আসনের জন্য হাবিবুর রশিদ হাবিবের নাম ঘোষণা করেছে।

হাবিবুর রশিদ হাবিব বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য; পাশাপাশি ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

হাবিবুর নামে রাজনীতি-চেতনায় দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন। তা অবশ্য প্রতিকূলতাবিহীন ছিল না। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল; ২০২৪ সালের এক সময়ে তিনি কারাগারে যান। পরে জামিনে মুক্তি পান।

এই দমন-নিপীড়নের মধ্যেও তিনি নিঃশর্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন — যা তাঁর রাজনৈতিক প্রতিজ্ঞাবোধ দেখায়। এমন ঘটনা, ন্যায়বিচার দাবি, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার পক্ষে তার অঙ্গীকার, অনেক সমর্থক-আপসান্তদের মধ্যে “অবিচল” হিসেবে পরিচিতি জোগায়।

এই দৃষ্টিকোণ থেকে, দল থেকে মনোনয়ন পাওয়া তাঁর জন্য শুধু একটি রাজনৈতিক পদ নয় — দীর্ঘ প্রতিক্ষার, সংগ্রামের, প্রত্যাখ্যান ও দমন-নিপীড়নের মধ‍্যে এক প্রতীকী জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে।

ঢাকা-৯ একটি পুরনো, জনঘন-শহর এলাকা। যদি তিনি নির্বাচিত হন, তাহলে তার যেসব কাজ অগ্রাধিকার পাবে বলে জানান তা হলো-

* *স্থানীয় বেসিক অবকাঠামো উন্নয়ন*: রাস্তাঘাট, নর্দমা-চলাচল, ফুটপাত, জলাবদ্ধতা মোকাবিলা — ঢাকা-৯-এর পুরনো ও মাঝা-মাঝি এলাকা হিসেবে এসব সমস্যা বহু। হাবিব যদি জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন, এবং বাজেট/উপযুক্ত পরিকল্পনা করেন, তাহলে এই সমস্যাগুলোর উল্লেখযোগ্য সমাধান সম্ভব।

* *স্যানিটেশন, পানি ও আবর্জুনির সুব্যবস্থা*: ঘনবসতিপ্রধান শহরাঞ্চলে নিয়মিত কালেকশন, নিকাশ, নালা–পাইপ, জল নিষ্কাশন ইত্যাদির উন্নয়ন জরুরি — যা শহরের জীবনের মান বদলে দিতে পারে।

* *শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা*: নতুন স্কুল, কলেজ, ডায়াগনস্টিক-ক্লিনিক, স্বাস্থ্যকেন্দ্র — বিশেষ করে নিম্ন বা মধ্যবিরতনের মানুষের জন্য।

* *যুব ও কর্মসংস্থান কেন্দ্র*: যুবদের জন্য ছোট কারিগরি ট্রেনিং, হস্তশিল্প বা ব্যবসা-সুযোগ তৈরি, সামাজিক–সাংগঠনিক কার্যক্রম — যেহেতু শহর এলাকায় কাজ ও নিরাপদ উপার্জন খুব জরুরি।

* *স্থানীয় যোগাযোগ ও গণপরিবহন*: ঢাকা-৯-এর মধ্যে যাতায়াত সহজ করার জন্য সড়ক, সড়ক নির্ধারণ, সড়ক পরিষ্কার ও সড়ক নিরাপত্তা — এসব বিষয় সুসংহতভাবে দেখাশোনা করা যেতে পারে।

এই উদ্যোগ গুলো সফল করতে হলে শুধু সরকারি তহবিল বা বাজেট নয় — প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা, জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক আর দায়িত্ববোধ দরকার।

মনোনয়ন পাওয়ার পর তার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিতে চাইলে তিনি জানান,

> “আমি গর্ব অনুভব করছি, কারণ আমাকে বিশ্বাস করে ঢাকা-৯ আসনের জন্য দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে।

> দীর্ঘ সংগ্রামের পথ ছিল — অনেক জুলুম, অনেক বাধা — কিন্তু আমি কখনো মাথা নত করিনি।

> যদি জনগণ আমাকে সুযোগ দেন, আমি প্রতিজ্ঞা করছি: ঢাকা-৯-কে শুধু প্রতিনিধিত্ব করব না, বরং বিকাশ, সুযোগ আর উন্নয়নের নতুন পথ খুলব।

> আমরা মালাটিমাত্রা উন্নয়ন করব — রাস্তাঘাট, নর্দমা, পানি–জলাবদ্ধতা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান — সবকিছু।

> আমি জনগণের সঙ্গে আছি, তাদের কষ্ট-চাহিদা জানি। একসঙ্গে কাজ করলে, ঢাকা-৯ হবে উন্নয়নের মডেল এলাকা।”

-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব

খুঁজুন